সরকারি
দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ, নবাবগঞ্জ, ঢাকা- ১৩২০ একটি ঐতিহ্যবাহী
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যার ইতিহাসে জড়িয়ে আছে স্থানীয় জনগণের স্বপ্ন, সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প।
প্রতিষ্ঠার সূচনা
১৯৬৫ সালের ১
জুলাই নবাবগঞ্জ উপজেলার সমসাবাদ এলাকায় কলেজটির
যাত্রা শুরু হয়।
উচ্চশিক্ষার
প্রসারের লক্ষ্যে অত্র এলাকার শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গ এবং সমাজসেবী মিলে কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। তাদের লক্ষ্য ছিল একটি শিক্ষাগত পরিবেশ তৈরি
করা যেখানে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের পূর্ণ ক্ষমতা বিকাশ করতে পারে।
দুটি উপজেলার নাম
মিলিয়ে কলেজটির নামকরণ হয় দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ, সংক্ষেপে ডি এন কলেজ।
বর্তমানে এটি একটি
সরকারি কলেজ হিসেবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত।
প্রথম দিন থেকেই,
কলেজেটি তার উন্নত মানের
শিক্ষা, অভিনব শিক্ষা
পদ্ধতি এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সার্বিক উন্নয়নের জন্য পরিচিত হয়ে ওঠে। আমাদের কলেজ
সময়ের সাথে সাথে বেড়ে উঠেছে, এবং আজ আমরা গর্বের সাথে বলতে পারি যে আমাদের প্রাক্তন
ছাত্র-ছাত্রীরা দেশ এবং বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
আমাদের কলেজের
ইতিহাস শুধু একটি গল্প নয়, এটি একটি ঐতিহ্য
যা প্রতিটি ক্লাসরুম, ল্যাবরেটরি এবং
ক্যাম্পাসের প্রতিটি কোণায় বেঁচে আছে। আমরা আমাদের অতীতকে সম্মান করি এবং
ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছি, যেখানে আমরা আরও উচ্চতর শিক্ষার মান এবং
সাফল্যের নতুন উচ্চতা অর্জন করব।
শিক্ষার অগ্রগতি
শুরুতে অল্প
সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে কলেজটিতে ৫,০০০+ শিক্ষার্থী, ৩১ জন শিক্ষক, এবং ১৬ জন কর্মচারী রয়েছে।
কলেজে উচ্চ
মাধ্যমিক, ডিগ্রি এবং পাঁচটি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু রয়েছে।
২০১৭ সালে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত
হয় কলেজটি।
অবদান ও স্বপ্ন
সরকারি
দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়—এটি দোহার ও নবাবগঞ্জ অঞ্চলের মানুষের আলোকিত ভবিষ্যতের প্রতীক। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন
ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছে, আর কলেজটি তাদের সেই পথচলার ভিত্তি।